অস্ট্রেলিয়ার শতভাগ জয়রথ থামল

0
484

সেন্ট লুসিয়ায় ড্যারেন সামি ক্রিকেট স্টেডিয়ামেয় অস্ট্রেলিয়া দলের  এই ম্যাচ হবার আগ পর্যন্ত কোনো ম্যাচ হারেনি।  কিন্তু গতকাল ৫ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের ১ম ম্যাচে তাদের এই শতভাগ জয়ের রেকর্ড বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিয়মিত অধিনায়ক কেরণ পোলার্ড ইনজুরির কারণে এই ম্যাচের অধিনায়কের দায়িত্ব ছিল দেওয়া হয়েছিল নিকোলাস পুরানকে। তার অধিনায়কত্বের অভিষেক ম্যাচে দারুণ এক জয় এনে দিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।

যারা এই ম্যাচটি দেখেছে তারা কখনো ভুলেও চিন্তা করেনি এই ম্যাচ অস্ট্রেলিয়া হেরে যেতে পারে। নবীগণের উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ফিল্লিং নিতে ভুল করেনি এবং তার সিদ্ধান্তের সঠিক প্রতিফলন ঘটেছে অস্ট্রেলিয়া বোলারদের বোলিংয়ে। পাওয়ার প্লেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত পাওয়ার হিটিং দল মাত্র ২৪ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিল ২ উইকেটে।

উইকেটের আসা-যাওয়ার মিছিলে শেষ পর্যন্ত ১৪৫ রানের সংগ্রহ করতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এর মধ্যে দলীয় সর্বোচ্চ রান করেছে অ্যান্ড্রো রাসেল ৫১(২৮)।  এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন লেনডন সিমেন্স ২৭(২৮)। এন্ড্রে রাসেল তার স্বভাবচিত ব্যাটিং এ ওয়েষ্ট ইন্ডিজ কে যুদ্ধ করার মত সম্মানজনক রসদ যুগিয়েছে।

শুরুতেই ২য় ওভারে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের উইকেট হারিয়ে ফেলে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যায়। তবে এই চাপ সামলে নেয় ব্যাটসম্যানরা ম্যাথিউ ওয়েড ও মিচেল মার্শ ভালো ভাবে সামলে নেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তে যোগ করে ৩৮ রান। কিন্তু এরপরে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো শুরু করে অস্ট্রেলিয়া।

৫.১ ওভারে ৫৩ রানে তৃতীয় উইকেট ফিলিপিকে হারিয়ে আবারো চাপে পরে অজিরা। ওভারের সাথে সাথে রান আসলেও উইকেটের আসা-যাওয়ার মিছিল চল অস্ট্রেলিয়া। ৮ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৮৯ ঠিক তখন ৪র্থ উইকেট পতন। এই পজিশন থেকে যে অস্ট্রেলিয়ার মত দল ম্যাচ থেকে ছিটকে পরবে তা মনে হয় কেউ চিন্তা করেনি।

হেইডেন ওয়ালস ও ম্যাকয় ওয়েষ্ট-ইন্ডিজের এই দুই বোলার দারুন ভাবে খেলায় ফিরায় উন্ডিজদের। ওবেদ ম্যাকয় ৪-২৬-৪ হেইডেন ওয়ালস ৪-২৩-৩ । অসাধারণ এই জয়ে ৫ ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল উইন্ডিজ। অসাধারণ বোলিং পারফরমেন্সে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান ম্যাকয়।