অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ লিডে বাংলাদেশ। 

0
521

টানা দুই ম্যাচে জয় বাংলাদেশের। উদযাপন করছে কোটি কোটি ভক্ত কিন্তু নীরবে জয়ের স্বাদ গ্রহন করলো টাইগাররা।

অস্ট্রেলিয়ানরা বোধহয় মুগ্ধ আফিফকে নিয়ে। যাকে নিয়ে মুগ্ধতা তাকে আউট করেই তো সবথেকে বেশি উদযাপন করবেন তারা সেটিই স্বাভাবিক। আফিফকে মার্শের বলে একবার এলবিডব্লিউ আউট দিলেন আম্পায়ার সে কি উদযাপন। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেলেন আফিফ। সেখানেই কাল হলো অস্ট্রেলিয়ার। ম্যাচটা একা হাতে শেষ করে আসলেন আফিফ হোসেন।

২৪ বলে বাংলাদেশের দরকার ১৯ রান। জাম্পা এলেন বোলিংয়ে, দিলেন পাঁচ রান। ততক্ষণে কপালে পেরেক ঢুকে গেছে অস্ট্রেলিয়ার কফিনে। শেষ ১৮ বলে ১৪ রান দরকার বাংলাদেশের। টাই এর ওভারে আফিফের আরো দুই বাউন্ডারিতে আফিফ-নুরুল হাসানের ৫০ রানের পাটনারশিপও হয়ে গেলো। শেষ দুই ওভারে রান লাগে আর চার।

হ্যাজলউডের ওভারে আপার কাট করে আফিফ জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশ এখন অস্ট্রেলিয়াকে টানা দুই মাচে হারিয়েছে। হ্যাঁ ৮ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটের জয় বাংলাদেশের।

প্রথম ছয় ওভারে সাফল্যের গল্পটা লেখা যায়নি আজও। ওপেনিং জুটি যেন বড় এক দুঃস্বপ্নের নাম বাংলাদেশের জন্য। র্স্টাক আর হ্যাজলউডের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান নাইম শেখ আর সৌম্য সরকার। সাকিব এসে র্স্টাককে পরপর তিন বলে তিন চার মেরে খেলায় গতি আনেন। সাত ওভারে শেখ মাহেদীর সাথে ২০ রানের জুটিতে ৪১ রানে পৌছে যায় বাংলাদেশ।

অধিনায়ক ওয়েডের জাস্পাকে বোলিংয়ে আনবার কৌশল তেমন একটা কাজে আসেনি। মাহেদীর ছক্কায় আট নম্বর ওভার থেকে আসে ১১ রান। ৮ ওভার শেষে ৫২ রানে বাংলাদেশ। ৫.৮৩ রান রেটে বাংলাদেশের দরকার ৭২ বলে ৭০। অ্যান্ড্রু টাই এর ওভারে সাকিব বোল্ড হয়ে আউট হয়ে গেলে ভয় চলে আসে বাংলােদেশ শিবিরে। ২৬ রান ধরে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন সাকিব আল হাসান।

সাকিবের উইকেটের পর ব্যাটিং করতে আসেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু শুন্য রানে ফিরে যান তিনিও, অ্যাস্টন অ্যাগারের বলে বোল্ড হন রিয়াদ। অধিনায়ক যখন ম্যাচ বের করতে পারলেন না দায়িত্ব পড়লো আফিফ সোহানের কাঁধে। ৬৩ বলে ৬৩ রান যখন দরকার তখন পিচে আসেন আফিফ হোসেন। ৬৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে রীতিমত ধুঁকছে তখন বাংলাদেশ।

১২ ওভারে ৭১ রানে ৫ উইকেটে বাংলাদেশ। নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে কিছুসময় উইকেটে থিতু হবার চেষ্টা করেন আফিফ। ১৩তম ওভারে টাই এর ওভারে এক ছক্কা আর দারুণ স্ট্রাইক রোটেট করে যেন কিছুটা অক্সিজেন খুজে পেলো বাংলাদেশ। শেষ ৩৬ বলে ৩৭ রান দরকার বাংলাদেশের। অ্যাগারের ওভারে ৫ রান নিলে শেষ পাঁচ ওভারে ৩২ রান লাগতো বাংলাদেশের।

স্টার্কের প্রথম বলে চার হাকালেন সোহান। পরের বলে সিঙ্গেল। শেষ ২৮ বলে তখন রান লাগে ২৭। আফিফের দুর্দান্ত কাভার ড্রাইভে ২৬ বলে আর ২৩ , সেখান থেকে ওয়াইডে লক্ষ্য দাড়ালো ২২।

২২ রান করতে আর বড় কোন বিপদে পরেনি বাংলাদেশ। এবং জয় ছিনিয়ে আনে অজিদের মুখ থেকে।