আবাহনীর হ্যাট্রিকে খুশি বিসিবি প্রধান

0
522

শেষ হলো উত্তেজনায় ও বির্তকে ভরপুর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। প্রতিটি খবরের শিরোনামই যেনো ছিলো আবাহনী এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের আম্পায়ারিং। জল্পনা কল্পনা এবং সব হিসাব নিকাশ শেষে আবাহনী হলো চ্যাম্পিয়ন এই নিয়ে টানা তিনবার শিরোপা জয় ঢাকার জনপ্রিয় এই ক্লাব আবাহনী লিমিটেড এর। জয়ের হ্যাট্রিক করা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের একটি মাত্র দল আবাহনী।

একেবারে শেষ ম্যাচ এ শেষে নানা অনিশ্চয়তায় ভুগতে হয়েছে তাদের অবশেষে সাইফুদ্দিন এর ঝড়ো গতির বোলিং এ রুখে দিয়েছিলো প্রাইম ব্যাংককে। শেষ মূহুর্তে আবার ও শিরোপা ছিনিয়ে নিলো আবাহনী।

টানটান উত্তেজনা পূর্ণ ছিলো ম্যাচটি অঘোষিত ফাইনাল একদম ফাইনালের মতোই হয়েছিল এই প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, “এটা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর নামে করা হয়েছে, তাই বাড়তি চ্যালেঞ্জ ও সৌন্দর্য ছিল। খেলাগুলোও দেখুন ছোট বড় বলে কোনো কথা নেই কে জিতবে এটা বুঝার কোনো ওয়ে ছিলো না।কাগজে কলমে আবাহনী ছিলো জাতীয় দল। মুশফিক, লিটন, নাঈম,আফিফ, সাইফুদ্দিন, মোসাদ্দেক ওরা তো জাতীয় দলের খেলোয়াড় এবং টি-টোয়েন্টি দলেই খেলে। তারপরও আবাহনী অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। এমন না যে অটোপাশ হয়েছে হাতে ট্রফি দিয়ে দিয়েছি। আমরা মনে করলেও আসলে কোনো দল ছোট না‌। আবহনী খেলাঘরের সাথে ও হেরেছে।

প্রাইম ব্যাংক, প্রাইম দলেশ্বর দল খুব ভালো খেলে‌। সবচেয়ে ভালো বোলিং ছিলো প্রাইম ব্যাংকের। মুস্তাফিজ, শরীফুল, রুবেল এ ধরনের বোলাররা ছিলো। কয়েকটা দল সংগ্রাম করেছে যেহেতু জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা খেলেনি তাই দুর্বল হয়ে গিয়েছিলো টিমগুলি। ওরা খেললে কি হতো চিন্তা করে দেখুন। অনেক প্রতিযোগীতামূলক খেলা হয়েছে এটাই ক্রিকেট এর সৌন্দর্য। ”

অখ্যাত কিছু প্লেয়ারদের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, “জাতীয় দলের বাইরে ও ভালো করেছে অনেক প্লেয়ার যেমন মিজান, সোহান, মাহমুদুল হাসান জয়, আর শামীম কি একটা ইনিংস খেললো দুর্দান্ত খেলে ছেলে টা। আমাদের পাইপলাইন এ অনেক দুর্দান্ত খেলোয়াড় আছে এটা তো দেশবাসী বুঝতে পেরেছে আশা করি তারা আনন্দ পেয়েছে।”

তবে কি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের উদ্দেশ্যে ছিলো দেশকে পাইপলাইন এর প্লেয়ারদের দেখানো পারবে কি তারা জাতীয় দলে খেলতে?দেশবাসী দেখবে কি তাদের জাতীয় দলে?