ইতিহাসের ১০ জন বলার যারা জীবনে কোন ওয়াইড বল করেননি।

0
4069

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বর্তমান যুগে ব্যাটসম্যানদের খেলা হয়ে গিয়েছে। ক্রিকেটের আধুনিকায়ন এবং দর্শেকের আনন্দ দেবার জন্য ব্যাটসম্যানদের যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বানিজ্যিক ক্রিকেটের জন্য যত বেশি রান তত বেশি আনন্দ এটা একটা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার উপর কু-কুড়ি খেলার আবির্ভাবে বলারদের উপর ব্যাটসম্যানরা চড়াও হয় বেশি। কিন্তু এমন একটা সময় গিয়েছে যখন ক্রিকেটে বলারদের আধিপত্য বেশি ছিল। এবং বিশ্বের ব্যাটসম্যানরা তাদের ভয় পেত। এমন কিছু কিংবদন্তি বলার ছিলেন যারা নিজেদের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন।

বলিং হচ্ছে একটা শিল্প যা শুধুমাত্র গতির উপর সবকিছু নির্ভর করেনা, এটি গতির সাথে সাথে লাইন লেন্থ, সুয়িং এর একটা সামগ্রিক মিশেল রাখতে হয়। কেউ যদি একজন ভাল বলার হতে চায় শুধুমাত্র গতি দ্বারা ভাল বলার হওয়া সম্ভব না। তাকে অবশ্যই বলিং এ বৈচিত্র্য আনতে হবে, লাইন, লেন্থের উপর পূর্ণ দখল এবং ভিন্ন পরিস্থিতিতে কিভাবে বল করতে হবে তার কৌশল রপ্ত করতে হবে। এবং ব্যক্তিগত অনুশীলন ব্যাটসম্যানের মনস্তাত্ত্বিক বিষয় অনুধাবন করাও বিভিন্ন পরিস্থিতিতে মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শৃঙ্খলা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা একজন বলারের জীবনে অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করে যার জন্য অতিরিক্ত ডেডিকেশনের প্রয়োজন হয়। ক্রিকেট ইতিহাসের এমন কিছু বোলার রয়েছেন যারা এই বলিং শিল্পকে খুব ভাল ভাবে আয়ত্ত করেছিলেন।

আজ, আমরা এমন ১০ জন বোলারকে নিয়ে আলোচনা করব যারা পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে চূড়ান্তভাবে শৃঙ্খলাবদ্ধ ছিলেন এবং তারা কখনও একটি ও ওয়াইড বল করেনি।

১০. স্যার রিচার্ড হ্যাডলি
স্যার রিচার্ড হ্যাডলি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। একজন দ্রুতগতির ফাস্ট বোলারের পাশাপাশি একজন কার্যকরি ব্যাটসম্যান হিসাবে দুর্দান্ত ক্যারিয়ার ছিল। হার্ডলি নিউজিল্যান্ড দলের হয়ে ১৭ বছর সেবা দিয়েছিলেন। এই সময়ে, তিনি ৮ টি টেস্ট এবং ১১৫ ওয়ানডে খেলেছেন, তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে তিনি কখনও একটি ওয়াইড বল করেননি যা একটি আনন্য নিদর্শন।

তার ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে ৪৩১ টি টেষ্ট উইকেট নিয়েছেন তা দীর্ঘদিন সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় শীর্ষে ছিলেন। পরবর্তীতে কপিল দেব এই জায়গা নিয়ে নেয়। এর পাশাপাশি ব্যাট হাতে ২৭.১৭ গড়ে ৩১২৪ রান করেন। ওডিআইতে ১৫৮ উইকেট এবং ২১.৩৫ গড়ে ১৭৫১ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের বহু ম্যাচ জয়ের নায়ক তিনি ছিলেন।

৯. স্যার গেরি সোবার্স
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট দলে কয়েক দশক আগে বেশ কিছু বিপজ্জনক বোলার ছিল। তাদের মধ্যে কিছু বোলারকে ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বোলার হিসেবে বিবেচনা করা হত। তাদের সম্পর্কে কথা বলতে গেলে, গ্যারি সোবার্সকে সর্বদা তালিকায় রাখতে হবে। শুধুমাত্র বলিং ই নয় ব্যাট হাতেও ছিলেন দারুন চৌকস। ডন ব্রডম্যান সোবার্স সম্পর্কে বলেছেন, তিনি হচ্ছেন একের ভিতরে পাঁচ। তিনি করতে পারেন না এমন কিছু নেই। ব্যাটিং বোলিং উইকেট কিপিং সব কিছুতেই তিনি ছিলেন কমপ্লিট প্যাকেজ।

বার্বাডোজে জন্ম নেওয়া স্যার গ্যারি সোবার্স ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুই দশক ধরে ক্রিকেট খেলেছেন, সেই সময়ে তিনি ৯৩ টি টেস্টে ২৩৬টি উইকেট নিয়েছেন এবং ব্যাট হাতে ৫৭.৭৮ গড়ে ৮০৩২ রান করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি একটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন। তার ক্যারিয়ারে ২০৬৬০টি বল তিনি করেছেন। তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল তার মধ্যে একটিও ওয়াইড বল ছিল না।

৮. ইয়ান বোথাম
যখনই আমরা দুর্দান্ত ইংলিশ ক্রিকেটারদের নিয়ে কথা বলি, প্রাক্তন অলরাউন্ডার ইয়ান বোথামের নাম সবসময় এই তালিকায় উপরে থাকবে। ইয়ান বোথামের ইংল্যান্ডের অসাধারণ একজন অলরাউন্ডার ছিলেন। ব্যাট এবং বলে ইংল্যান্ডের টেষ্ট এবং ওডিআইতে বহু ম্যাচ জয়ের নায়ক ছিলেন তিনি।

তার অসাধারণ ক্রিকেট দক্ষতা দ্বারা তিনি ইতিহাসের প্রথম ক্রিকেটার যে এক টেষ্ট ম্যাচে শতক ও ১০ উইকেট নিয়েছিলেন। তার ১৫ বছর ক্রিকেট ক্যারিয়ারে তিনি দারুন অবদান রেখেছেন যা কখনো ভোলার নয়। ইয়ান বোথাম ১০২ টি টেস্ট, এবং ১১৬ ওয়ানডে খেলেছেন, তবে তিনি তার ক্যারিয়ারে কখনও একটি ওয়াইড বল করেননি। তিনি তার নামের পাশে ৩৮৩ টেষ্ট উইকেট এবং ১৪৫ ওডিআই উইকেট যুক্ত করেছেন। এর পাশাপাশি ৫২০০ টেষ্ট রান ও ২১১৩ ওডিআই রান তার খাতায় রয়েছে। ক্রিকেটে তার অসাধারণ নৈপুণ্যের জন্য ২০০৯ সালে আইসিসি’র হল অফ ফ্রেমে তার নাম যুক্ত হয়।

৭. ক্লারি গ্রিমেট
অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অভিজ্ঞ স্পিন বোলার জন্মগ্রহণ করেছিলেন নিউজিল্যান্ডে। তবে তিনি পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ক্লারি গ্রিমেট ১৭ বছর বয়সে ওয়েলিংটনে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু এর পরে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। কারন তখন নিউজিল্যান্ডের টেষ্ঠ স্টাটাস ছিল না। তিনি প্রথমে একজন ফাস্ট বোলার হতে চেয়েছিলেন কিন্তু তার এক স্কুল বন্ধুর পরামর্শে স্পিন বোলিং এ আসেন, এবং তিনি ঠিক করেন তিনি লেগ স্পিনার হবেন। তিনি ক্রিকেটের প্রাথমিক যুগের একজন অসাধারণ বলার ছিলেন।

ফ্লিপারের আবিষ্কারের কৃতিত্ব তাকে দেওয়া হয়। ঐসময়ে দারুন দারুন ব্যাটসম্যানকে তিনি বিভ্রান্ত করে দিতেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন যেখানে তিনি ৩৭টি টেস্ট ম্যাচে ১৪৪৫৩ বল করেছিলেন তবে কোনও ওয়াইড করেননি।

৬.ল্যান্স গিবস
৮০ এবং ৯০ এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল ছিল বিশ্ব ক্রিকেটের পাওয়ার-হাউস। উইন্ডিজ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন পরাশক্তি। তাদের বোলারদের মধ্যে ল্যান্স গিবসও দীর্ঘদিন খেলেছিলেন। তিনি ছিলেন টেষ্ট ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা একজন স্পিন বলার। তিনি ইতিহাসের অল্প কিছু বলারদের মাঝে একজন যাদের ওভারে প্রতি ইকোনমিক রেট ২ এর নিচে।

তিনি ইংলিশ গ্রেট ফ্রুড ট্রুম্যানের পরে ৩০০ উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছিলেন। আসলে স্পিনারদের মাঝে তিনিই প্রথম যে এই ল্যান্ড মার্ক স্পর্শ করেছেন। উইন্ডিজের হয়ে তিনি ৭৯ টি টেষ্ট ম্যাচ এবং তিনটি ওয়ানডে খেলেছেন, এবং মোট ৩১১টি উইকেট পেয়েছেন। তিনি তার ক্যারিয়ারে ১৮ বার পাঁচ উইকেট নেবার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তবে কখনও কোনও ওয়াইড বা নো বল করেননি।

৫. ডেরেক আন্ডার উড
ডেরেক আন্ডারউডের ছিলেন ইংল্যান্ডের দুর্দান্ত একজন ক্রিকেটার তার অসাধারণ প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ার ছিল। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলা আন্ডারউড আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইংল্যান্ডের হয়েও প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তিনি ইংল্যান্ডের হয়ে ৮৬ টি টেস্ট এবং ২৬টি ওয়ানডে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন, এবং যথাক্রমে ২৯৭ এবং ৩২ উইকেট লাভ করেন , তবে তিনি কখনও কোনও ওয়াইড বল করেননি যা সত্যিই আশ্চার্যজনক। তিনি ছিলেন একজন স্লো বামহাতি অর্থাডক্স স্পিনার। তিনি প্রয়শই মিডিয়াম পেইজ বলিং করতেন এবং ভেজা মাঠে তাকে খেলা প্রায় অসম্ভব ছিল। তার ইন সুয়িং বল গুলি খুবই মারাত্মক ছিল যা প্রায়ই ব্যাটসম্যানদের এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলত। তার অসাধারণ বলিং এর দরুন তিনি ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৩ পর্যন্ত আইসিসির শীর্ষ বলার ছিলেন। তার প্রথম শ্রেনীর রেকর্ড দেখলে যে কারো চোয়ালে ঝুলে যাবে ৬৭৬ ম্যাচে ২৪৬৫ উইকেট তার মধ্যে ১৫৩ বার পাঁচ উইকেট রয়েছে।

৪. ডেনিস লিলি
ক্রিকেট ইতিহাসে মানসম্পন্ন ফাস্ট বোলার গড়ে তোলার অন্যতম সেরা কেন্দ্র অস্ট্রেলিয়া। ডেনিস লিলি পেস বোলিংয়ের ক্ষেত্রে অন্যতম সেরা হিসাবে নাম হিসেবে বিবেচিত হয়। ডেনিস লিলি ক্রিকেটের এক সৌন্দর্যের নাম । অত্যন্ত বিপজ্জনক এই বোলার ৭০ এর দশক এবং ৮০ দশকের গোড়ার দিকে অস্ট্রেলীয়াকে দারুন সার্ভস দিয়েছে।

ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি অত্যন্ত গতি সম্পন্ন ছিলেন। কিন্তু কিছু ইনজুরি তার ক্যারিয়ার হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু তিনি বার বার ফিরে এসেছেন । তার অবসরের সময় তিনি টেষ্ট ক্রিকেটের সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়া বলার ছিলেন। লিলি তার ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৭০ টি টেস্ট ও ৬৩ টি ওডিআই ম্যাচ খেলেছেন এবং যথাক্রমে ৩৫৫ ও ১০৩ টি উইকেট নিয়েছেন। তিনি ২৩ বার পাঁচ উইকেট এবং ৭ বার দশ উইকেট লাভ করেন।
তবে এই সময়ের মধ্যে একটিও ওয়াইড বল করেননি যা অত্যন্ত আশ্চর্যজনক।

৩. বব উইলিস
ইংলিশ ক্রিকেট ইতিহাসের বোল উইলিস সর্বকালের সেরা একজন বিপজ্জনক বোলার। ১৯৭১ থেকে ১৯৮৪ সাল অবধি ইংলিশ দলের হয়ে বোলিং আক্রমণের গুরু দায়িত্ব ছিল বব উইলিস এর উপর। এই সময়ে তিনি ইংল্যান্ড দলের হয়ে দারুন পারর্ফম করে গেছেন। উইলিসিস ১৯৮১ সালের অ্যাশেজ জয়ের অনেকতম কারিগর ছিলেন।
হেডেংলিতে ফলোঅনে পরেও অসম্ভব জয়ের দেখা পেয়েছিল তা এখন পর্যন্ত অ্যাশেজের অন্যতম একটি জয় হিসেবে পরিগণিত হয়। ৪৩ রানে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন যা অ্যাশেজের ইতিহাসের অন্যতম সেরা বলিং পারফরমেন্স।

উইলিস ইংল্যান্ডের হয়ে ৯০ টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন পাশাপাশি ৮০ টি ওয়ানডে খেলেছেন, এবং যথাক্রমে ৩২৫ এবং ৮০টি উইকেট লাভ করেছেন। টেষ্ট ক্রিকেটে তিনি ১৬ বার পাঁচ উইকেট পেয়েছেন। তবে তিনি কখনও ওয়াইড বল করেননি।

২. ইমরান খান
দলের জয়ের চেয়ে ব্যাক্তিগত পারফরমেন্সকে যখন বেশি প্রাধান্য দেওয়া হত এমন এক প্রেক্ষাপটে ইমরান খানের আবির্ভাব। তার ব্যাতিক্রমি অধিনায়কত্ব এবং সময় উপযোগি সিদ্ধান্ত পাকিস্তান দলকে পাল্টে দিয়েছিল। ইমরান খান প্রথম অধিনায়ক যে ইন্ডিয়াকে ঘরের মাটিতে ১৯৮৭ সালে হারিয়েছে।

ইমরান খান এক মাত্র অধিনায়ক যার অধিনায়কত্বের অধীনে ১৯৯২ সালে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে বিশ্বকাপের এনে দিয়েছিলেন। এবং ঐ ম্যাচে তিনি ৭২ রানের ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলেছিলেন এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ উইকেট ও তুলে নিয়েছিলেন। ইমরান খান কেবল পাকিস্তান ক্রিকেট দল নয় বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। ইমরান মোট ৮৮ টি টেস্ট এবং ১৭৫ টি ওয়ানডে খেলেছিলেন, যথাক্রমে ৩৮০৭ এবং ৩৭০৯ রান এবং ৩৬২ ও ১৮২ উইকেট লাভ করেন। তবে এই সময়ের মধ্যে তিনি কখনও ওয়াইড বল করেননি।

১. ফ্রেড ট্রুম্যান
ইংল্যান্ডকে ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রাচীনতম দল হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ক্রিকেটের জন্ম ইংল্যান্ডেই হয়েছিল। তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে কখনো ফাস্ট বোলারের কোনও অভাব হয়নি। ফ্রেড ট্রুম্যানও দুই দশক ইংল্যান্ড দলকে সার্ভিস দিয়েছে। ট্রুম্যান ব্রায়ান স্ট্যাথামের সাথে ১৯৫০-এর দশকে ফাস্ট বোলিংয়ের অন্যতম একটি পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন।

নিজের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ৬০৩ টি ম্যাচ খেলেছেন তাতে ঈর্ষণীয় সাফল্য তিনি ২৩০৪ টি উইকেট তুলে নিয়েছেন।এবং ৬৭ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৩০৭ টি উইকেট পেয়েছেন খেলেছিলেন, এত ম্যাচের মধ্যে তিনি কখনও ওয়াইড বল করেননি।

লিখেছেন <a href=”লিংhttps://www.facebook.com/omor.saif”>ওমর সাইফ</a>