ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ চালু হচ্ছে!

0
7702

কভিড-১৯ মহামারীতে সব কিছু স্থবির তার ধাক্কা এসে লেগেছে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটেও। ২০১৯-২০ এর ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ সম্পন্ন করতে পারেনি আয়োজক কমিটি। এই খেলা পুনরায় চালু করায় বিষয়ে বিসিবি কতৃপক্ষ অনলাইন মিটিংয়ে  বিসিবি খেলোয়াড়, খেলোয়াড়দের এসোসিয়েশন,অংশ নিয়েছে। দেশে করনার উচ্চ ঝুঁকির কারনে এখন পর্যন্ত ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরা বিষয়ে কোন নির্দিষ্ট দিন ক্ষণ ঘোষণা করেনি। তবে দুটি নির্দিষ্ট ভেন্যু থেকে খেলা পুনরায়চালুকরা হতে পারে।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই হয়ত লীগ শুরু করার একটা সিদ্ধান্ত আসতে পারে । যদিও এটা বিসিবি এবং সকারের বিভিন্ন মহলের সাথে কথা বলার পর বিষটি নির্দিষ্ট হবে। খেলোয়াড়রা মানসিক ভাবে খেলায় ফিরতে প্রস্তুত রয়েছে। এবং এর পাশাপাশি দল ও দল মালিক যারা আছেন তাদেরকে প্রস্তুত থাকতে হবে। নির্দিষ্ট কোন দিন এখনো ঠিক হয়নি যে কবে ফিরতে পারে তবে সকল পক্ষের প্রস্তুত থাকার বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এবং দলগুলো প্রস্তুতির জন‍্য দুই সপ্তাহের মত হয়ত সময় পাবে‌।

বৈঠকে জাতীয়-দলের সিনিয়র খেলোয়াড় তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ, বিসিবি’র প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী, বোর্ডের পরিচালক নাইমুর রহমান এবং খালেদ মাহমুদ (যারা যথাক্রমে খেলোয়াড় সমিতির সভাপতি ও সহ-সভাপতিও হিসেবে দায়িত্বরত আছেন), এবং আরো বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। মিটিং এ বাংলাদেশের ক্রীড়া শিখা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এবং কক্সবাজারের স্টাডিয়াম এই ভেন্যু দুটি ব্যবহার করার সুপারিশ করা হয়েছে।

এই ভেন্যু দুটিতে আলাদা ভাবে খেলোয়াড়রা থাকতে পারবে এবং অভ‍্যন্তরীন সুযোগসুবিধা ও বেশ ভাল। এতে খেলোয়াড়রা বিচ্ছিন্ন থেকে খেলায় অংশগ্রহণ ও প্রস্তুতির সুযোগ নিতে পারবে।

বিকেএসপি ঢাক থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে সাভারে অবস্থিত এটি একটি ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান, এখানে তিনটি ক্রিকেট মাঠ রয়েছে। সাধারণত প্রথম-শ্রেণীর এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ আয়োজন করা হয় এখানে। এখানে খেলোয়াড় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য হোস্টেল সুবিধা রয়েছে এবং পেশাদার ক্রিকেট দলগুলি প্রায়ই খেলার সময় এখানে অবস্থান করে। কক্সবাজারে দুটি ক্রিকেট মাঠ রয়েছে এখানে খেলোয়াড়দের থাকার জন্য পর্যাপ্ত হোটেলের ব‍্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া এই ভেন্যুতে ২০১৬ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছে।

ইতিমধ্যে প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন তারা বিসিবিকে অনুরোধ করেছে যে তারা প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবগুলি যেন বলে যে প্রতিটি খেলোয়াড়কে তাদের সম্মত ফির অর্ধেক প্রদান করে।

আগামী সপ্তাহে আরো একটি বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে বিসিবি ক্লাবগুলিকে দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বলবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে ৩১ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত ঈদ-উল-আযহার ছুটি না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনা হয়ত নেই।