ধরাছোঁয়ার বাইরে শরিফুল! ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছেন নাইম।

0
108

চলতি বিপিএলের ২৮টি ম্যাচ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। অনেক বড় নাম যেমন হতাশ করেছেন, চমকেও দিয়েছেন কেউ কেউ। চলুন দেখে নেওয়া যাক কারা কারা আছেন কোন তালিকার শীর্ষে।

টপ স্কোরারদের লিস্টে ৯ ম্যাচে ২৬৬ রান নিয়ে শীর্ষে আছেন নাইম শেখ! মাত্র ৬ ম্যাচ খেলে ২৫০ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন পিএসএল খেলতে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়া বাবর আজম। ৭ ম্যাচে ২৫০ নিয়ে আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি হাকানো তাওহিদ হৃদয় আছেন তিনে। টুর্নামেন্টের একমাত্র সেঞ্চুরিটিও তার দখলে। “মিস্টার ডিপেন্ডেবল” খ্যাত মুশফিক আছেন তালিকার চারে। ৮ ম্যাচে তার সংগ্রহ ২৩৮। ৭ ম্যাচে ২২৮ নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে আছেন বিজয়।

টপ উইকেট টেকারদের লিস্টে প্রথম নামটা খুবই প্রেডিক্টেবল। সুইং, ভেরিয়েশনে মুগ্ধ করা শরিফুল ইসলাম। ৯ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে শীর্ষেই অবস্থান করছেন তিনি যার আশেপাশেও নেই কেউ। ৮ ম্যাচ খেলে ১২ উইকেট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় নাম মাহাদি হাসান। ৭ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে তিনে আছেন সাকিব আল হাসান। সমান ম্যাচে সমান সংখ্যক উইকেট নিয়ে চারে আছেন আরেক বাহাতি অর্থোডক্স স্পিনার তানভির ইসলাম। ওমান থেকে আসা বিলাল খান আছেন তালিকার পাঁচে। ৮ ম্যাচে তার সংগ্রহ ১০ উইকেট।

টপ স্কোরারদের সেরা পাঁচজনের তিনজনই আবার নেই এভারেজের টপ ফাইভে। ৭১ এভারেজ নিয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের টম ব্রুস আছেন সবার উপরে। মাত্রই প্রথম ম্যাচ খেলা রেজা হেনড্রিকস আছেন ৫৮ এভারেজ নিয়ে দ্বিতীয়তে। ৫৭.০০ এভারেজ নিয়ে তৃতীয়তে অবস্থান করছেন খুলনাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এনামুল হক বিজয়। ৫১.৫০ এভারেজ নিয়ে চারে আছেন মাঝখানে আলোচনা সৃষ্টি করা শোয়াইব মালিক। ৫০.২০ এভারেজ নিয়ে তালিকার পঞ্চম নামটি বাবর আজম।

টি-টোয়েন্টিকে বলা হয় রানের খেলা। সেই দ্রুত রান তুলার তালিকায় কারা আছে সেটি জেনে নেওয়া যাক। আজকে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা জিমি নিশাম। তার স্ট্রাইক রেট ১৯৬.১৫। ১৭৬.৪৭ স্ট্রাইক রেট নিয়ে ফাহিম আশরাফ আছেন তারপরেই। চমক হিসেবে ১৬৮.৩৩ স্ট্রাইক রেট নিয়ে তিনে আছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ফিউচার গেইল উপাধি পাওয়া এভিন লুইস আছেন চারে। তার স্ট্রাইক রেট ১৬৬.৬৭। তালিকার সবচেয়ে বড় চমকটি অপেক্ষা করছে এরপরে। ১৬১.২২ স্ট্রাইক রেট নিয়ে পাঁচে আছেন মাঝপথে ঢাকাকে নেতৃত্ব দেওয়া তাসকিন আহমেদ।

এইবার পয়েন্ট টেবিলের দিকে তাকানো যাক। হার দিয়ে মিশন শুরু করা রংপুর রাইডার্সের অবস্থান টেবিলের সবার উপরে। ৮ ম্যাচে তাদের জয় ৬ টি। ৭ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ৮ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে চট্টগ্রামের অবস্থান তালিকার তিনে। আজকের জয় দিয়ে ৮ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চারে উঠে এসেছে ফরচুন বরিশাল। এক ম্যাচ কম খেলে সমান জয় নিয়ে রানরেটে পিছিয়ে থেকে পাঁচে অবস্থান করছে শুরুতে টানা ৪ জয় পাওয়া খুলনা টাইগার্স। প্রথমে টানা ৫ ম্যাচ হারা সিলেট স্ট্রাইকার্স পরের ৪ ম্যাচে পেয়েছে ৩ জয়। তবুও তাদের অবস্থান ছয়ে। প্রথম ম্যাচ জয় দিয়ে শুরু করা দূর্দান্ত ঢাকা হেরেছে টানা ৮ ম্যাচ। অনুমিতভাবেই তাদের অবস্থান পয়েন্ট টেবিলের শেষে।