ধোনির অধিনায়কত্ব বাঁচাতে শ্রীনীবাসন তাঁর সমস্ত কর্তৃত্ব ব্যবহার করেছে

0
16435

এন শ্রীনিবাসন বলেছেন যে ২০১১ সালে এমএস ধোনির অধিনায়কত্ব বাঁচাতে তিনি বিসিসিআইয়ের সভাপতি হিসাবে সিলেকশন প্যানেলকে বাতিল করে দিয়েছিলেন এবং তিনি তাঁর সমস্ত কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেছিলেন। ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পরেও ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায় সাথে টেস্ট সিরিজ ৪-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পরে ধোনির অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।

বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার বিপরীতে জাতীয় নির্বাচকরা ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক নিয়োগের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করেছিলেন। মনে করা হয় শ্রীনিবাসন নির্বাচকদের এই জাতীয় সিদ্ধান্তের পক্ষে ভেটো দিয়েছিলেন।

তৎকালীন বিসিসিআইয়ের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতিটি নিয়োগে বোর্ডের সভাপতির অনুমোদনের ছাড়া কার্যকর হতো না। সুতরাং শ্রীনিবাসন এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার ছিল। তবে এটি স্পষ্ট নয় যে নির্বাচকরা অন্য কোন অধিনায়ককে বেছে নিয়েছিলেন এবং শ্রীনিবাসন ভেটো প্রদান করেছিলেন কিনা, তাঁর মন্তব্য অনুযায়ী তিনি কেবলমাত্র ধোনিকে অধিনায়ক হিসাবে বহাল রাখার বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “কোন এক ছুটির দিনে আমি গল্ফ খেলে ফিরছিলাম, সঞ্জয় জগডালে সেই সময় বিসিসিআই সচিব ছিলেন এবং তিনি এসে আমায় বললেন, ‘স্যার নির্বাচকরা ধোনিকে অধিনায়ক হিসেবে আর রাখতে চাইছেন না, তারা ধোনিকে দলে খেলোয়াড় হিসাবে রাখতে চাইছে।’ আমি বলেছিলাম যে, এমএস ধোনি অধিনায়ক হিসেবেই থাকবে, আমি সভাপতি (বিসিসিআই) হিসাবে আমার সমস্ত কর্তৃত্ব ব্যবহার করেছি।”

শ্রীনিবাসনের মন্তব্যে সেই সময়ে কি ঘটেছিল তা সহজেই অনুমেয়। বিসিসিআই সভাপতি, যিনি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি চেন্নাই সুপার কিংস এর মালিক ছিলেন তিনি অধিনায়কত্বের পরিবর্তন রোধ করতে হস্তক্ষেপ করেছিলেন। ধনি বর্তমানে চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন।

শ্রীনিবাসন বলেছেন, ধনি যতক্ষণ চাইবে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে খেলার জন্য দরজা উন্মুক্ত থাকবে। ধোনি ১৫ই আগস্ট চেন্নাই থেকে তাঁর আন্তর্জাতিক অবসর গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন, সেখানে তিনি বর্তমানে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ২০২০ সালের আইপিএলে দুবাইতে যোগ দেওয়ার আগে অন্যান্য ভারতীয় খেলোয়াড়দের সাথে একটি প্রস্তুতি শিবিরে অবস্থান করছেন।
শ্রীনিবাসন বলেছেন, “ধনি যতক্ষণ চান সিএসকে-র হয়ে খেলতে পপারবেন। বর্তমানে সিএসকে আইপিএল জিততে দিন। ধোনির অধীনে সিএসকে সাফল্যের অন্যতম কারণ হল তিনি কখনও ম্যাচের বাইরে ভাবেন না। এবং আমরা এখন একই নীতি অনুসরণ করব।”

এই মাসের শুরুতে সুপার কিংসের সিইও কাসি বিশ্বনাথন বলেছিলেন যে তারা ধোনি কমপক্ষে আরও দু’বছর ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করছেন