নাসুমের সফলতার রহস্য সাকিব

0
1006

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ পেলেও ভুলে যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতাই হয়েছিলো বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের। ৩ ওভারে দিয়েছিলেন ৩৭ রান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও শুরুটা ভালো করতে পারেননি তিনি। দ্বিতীয় বলেই ছক্কা খেয়ে বসেন, পরের দুই বলে দেন আরও ২ রান।

এমনিতেই অল্প পুঁজি, প্রতিপক্ষ হার না মানা মানসিকতার জন্য প্রসিদ্ধ অস্ট্রেলিয়া। জিততে হলে আঁটসাঁট বোলিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেওয়ার বিকল্প ছিল না। কিন্তু নাসুমের শুরুটা ছিল হতাশার; তবে তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন অভিজ্ঞ সাকিব আল হাসান।

সাকিবের পরামর্শে আস্তে ও সামনের দিকে বল করতেই বদলে যায় দৃশ্যপট‌। স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন জশ ফিলিপেকে। হুমকি হয়ে ওঠা মিচেল মার্শ ও ম্যাথু ওয়েড জুটিও ভাঙেন নাসুম আহমেদ, অ্যাশটন আগার ও অজিদের শেষ ভরসা মার্শকে ফিরিয়ে ১৯ রান খরচায় ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কারটাও নিজের করে নিয়েছেন তিনি।

ম্যাচ শেষে সাকিবের পরামর্শ প্রসঙ্গে নাসুম আহমেদ বলেন, “যখন আমরা ১৩১ করেছি তখন নামার আগে রিয়াদ ভাই বলছিলেন যে, আমরা এই রানেই লড়াই করব। ডট বল করব যতটুক পারি চেষ্টা করবো জেতার জন্য। ওই ডট বলের চিন্তাই করছিলাম। প্রথম যে দুটি বল করেছি ব্যাক অব লেন্থে তখন সাকিব ভাই বলেছেন যে, এখানে আস্তে বল ভালো, সামনে বল করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল রান চেক দিয়ে বল করা ডট বল করা। ওটাই চেষ্টা করেছি উইকেট পেয়ে গেছি। রিয়াদ ভাই ও সাকিব ভাই দুজন মিলে আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছেন। আমার সাথে অনেকক্ষণ কথা বলেছেন, যখনই বোলিং করতে গিয়েছি আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। আমি সেভাবেই করার চেষ্টা করেছি।”

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে শুরুটা দুর্দান্তই হয়েছে বাংলাদেশের, প্রথমবারের মতো দলটির বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি জয়ের পর এবার সুযোগ সিরিজ জয়েরও। সেই লক্ষ্য পুরণে স্পিনটাই হবে সবচেয়ে বড় অস্ত্র, নাসুম আহমেদের দায়িত্বটাও আরও বেড়ে গেলো। আজই দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুই দল, সিরিজের বাকি ম্যাচ গুলো ৬, ৭ ও ৯ আগস্ট।