নিজেকে সৌভাগ্যবানই মনে করছেন ক্রিস্টিয়ান

0
1544

মিরপুরের উইকেটে ১০০ রানের বেশি তাড়া করাটাও বেশ কঠিন, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল সেটা ভালোমতোই টের পেয়েছিল আগের ম্যাচটাতে। ১২৭ রান তাড়া করতে নেমেও লেজেগোবরে অবস্থা হয়েছিল ম্যাথু ওয়েডদের, তাই ১০৫ রানের ছোট্ট লক্ষ্যেও ভিন্ন পথে হাটার পরিকল্পনা করে অজিরা।

অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনা ছিল সুস্পষ্ট, শুরুতে অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে হারানোর পর চাপটা নিজেদের দিকে না নিয়ে বাংলাদেশকে চাপে রাখার কৌশল হিসেবে ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ানকে তিনে নামানো হয়। যেন পাওয়ার প্লে কাজে লাগিয়ে দ্রুত কিছু রান তুলতে পারে, সেই কৌশলে সফল অস্ট্রেলিয়া।

টি-টোয়েন্টি সিরিজে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটটা খুব বেশি খুঁজে পাওয়া যায়নি, সচরাচর এই ফর্মেটে বোলাররা স্ট্রাগল করলেও পুরো সিরিজেই ছড়ি ঘুরিয়েছে বোলাররাই। লো-স্কোরিং ম্যাচ গুলো উপভোগ্য হলেও সেটা বোলারদের কল্যাণেই দেখা যাচ্ছিলো, অল্প লক্ষ্যও যে কঠিন হবে সেটা অজানা ছিল না।

শেষ দিকে যেন চাপে না পড়তে হয় সে কারণে ফ্রি লাইসেন্স দিয়ে ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ানকে পাঠানো হয় টপ অর্ডারের। প্রথম ওভারেই ক্রিজে আসা পেস বোলিং এই অলরাউন্ডার চতুর্থ ওভারে রীতিমতো সাইক্লোন বইয়ে দেন। সিরিজের অন্যতম সফল বোলার সাকিব আল হাসানের করা ওভারে ৫ ছক্কায় নেন ৩০ রান।

সাকিবের ওভারে ৫ ছক্কা মারলেও ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ানের লক্ষ্যটা যে সাকিব ছিল না ম্যাচ শেষে নিশ্চিত করেছেন তিনি। ক্রিস্টিয়ান জানিয়েছেন, তার পরিকল্পনা ছিল দ্রুত রান তোলার।

পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান বলেন, “বিগব্যাশ, আইপিএলে সাকিবের বিপক্ষে আমি কিছু ম্যাচ খেলেছি। না, সে আমার লক্ষ্য ছিল না। আমার কাজ ছিল, ক্রিজে গিয়ে যত বেশি সম্ভব দ্রুত রান করা। পরে যারা আসবে তাদের জন্য রান তাড়ার কাজটা সহজ করা।”

“সাকিবের ওপর চড়াও হওয়ার নির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা আমার ছিল না। ওই ওভারটাতে আমি সৌভাগ্যবান ছিলাম। শটগুলো মাঝ ব্যাটে লেগেছে। পাওয়ার প্লেতে ব্যাটিংয়ের মজাই এটা। আমি বেশ স্বাধীনতা নিয়ে খেলছিলাম।”