বৃষ্টি বাঁধায় স্বস্তির নিঃশ্বাস লংকান শিবিরে

0
785

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হার লংঙ্কানদের তবে হারের হতাশার চেয়ে তাদের চোখে মুখে যেনো স্বস্তি বেশি এটা ভেবে যে সিরিজটা অবশেষে শেষ হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে লঙ্কানরা খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই। একটা জেনারেশন খেলা থেকে অবসরে যাবার পর এর পরের জেনারেশন যারা লঙ্কান ক্রিকেটকে প্রতিনিধিত্ব করছে খুব ভালো একটা অবস্থায় নিয়ে যেতে পারছে না মাহেলা জয়াবর্ধনে কুমার সাঙ্গাকারা দিলশান এই জেনারেশন অবসরের পর ঐ ভাবে আর ভালো ক্রিকেট খেলেনি।

সম্প্রতি সিনিয়র ক্রিকেটারদের বাদ দিয়ে তুলনামূলক তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দল আশানুরূপ ফল করতে পারছে না। এছাড়া বর্তমান সিরিজ চলাকালীন তিনজন ক্রিকেটার বায়ো বাবল প্রটোকল ভাঙ্গার কারণে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। যার কারণে আরও খর্ব শক্তির দলে পরিণত হয় শ্রীলংকা।

ক্রিকেটে সাধারণত হালকা বৃষ্টি হলেই না জানি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়ে যায় এই শংকায় থাকে ক্রিকেট প্রেমিরা। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হলে হতাশা থাকে দুই দলেরই কিন্তু ইংল্যান্ড- শ্রীলংঙ্কা ম্যাচে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র লঙ্কানরা ফেললো স্বস্তির নিশ্বাস । এবারের ইংল্যান্ডের সফরটা যত দ্রুত সম্ভব ভুলে যেতে চাইবে লংঙ্কানরা। টি-টুয়েন্টি সিরিজে হোয়াইট ওয়াশের পর, ওয়ানডে সিরিজেও ২-০ তে হেরেছে শ্রীলংঙ্কা।

ইংল্যান্ড সবসময় নিজেদের মাটিতে ডমিনেট করে ক্রিকেট খেলে। এই সিরিজের সেরা হয়েছেন ডেভিড উইলি। ইংল্যান্ড পুরো টিমের পারফরম্যান্স ছিলো নজরকাড়ার মতো। তারা একের পর এক অসাধারণ পারফরম্যান্স লংঙ্কান শিবিরকে নাকানিচুবানি খাইয়েছে  এবং সিরিজ করে নিয়েছে নিজেদের নামে। এই সিরিজে লংঙ্কানরা হয়েছে ইংলিশ ওয়াশ।

লঙ্কান দলের অবস্থা য়ছিল ছেড়েদে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। এই সিরিজটা অবশ্যই ভুলতে চাইবে তবে ভোলা কতটা সহজ হবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই।

ভয়াবহ ব্যাটিংয়ের বিপর্যয়ের পর বৃষ্টির কল্যাণে শেষ ম্যাচে অন্তত হার এড়াতে পেরেছে শ্রীলংঙ্কা। শেষ ম্যাচ হার এড়ানোর পাশাপাশি ওয়ানডে সুপার লিগের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ পয়েন্ট পেয়েছে দলটি।

ব্রিস্টলে বৃষ্টি বাধায় পরিত্যক্ত হওয়া ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে অধিনায়ক কুশাল পেরেরা ও আভিস্কা ফার্নান্দোর উদ্বোধনী জুটিতে ১৯ রান পায় শ্রীলংঙ্কা। ১৪ রানের ব্যবধানে টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটারকে হারানোর পর ৪২ রানে ধনাঞ্জয় ডি সিলভাকে হারিয়ে আবারো ব্যাকফুটে পরে লংঙ্কানরা। ২টি করে উইকেট পায় ডেভিড উইলি ও ক্রিস ওকস। লঙ্কানদের মিডল অর্ডার গুড়িয়ে দেন সিরিজে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া টম কারান। একে একে ড্রেসিং রুমে ফেরত পাঠান লঙ্কান ব্যাটসমানদের।

৮ উইকেটে ১৩২ রান তোলার পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ থাকার পর আাবারও মাঠে ফিরেন দাসুন শানাকা ও দুশমন্ত চামিরা নবম উইকেটে দুজনের ২৮ রান ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি। এরপর ১৬৬ তে গুটিয়ে যায় শ্রীলংঙ্কা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

শ্রীলংঙ্কা ১৬৬/১০ (৪১.১ ওভার ; আভিস্কা ফার্নান্দো ১৪, ওশাদা ফার্নান্দো ১৮, ওয়েনিন্দু হাসারাঙ্গা ২০, দাসুন শানাকা ৪৮*,চামিকা করুণারত্বে ১১,দুশমন্ত চামিরা ১৬, টম কারান ৪/৩৫,ক্রিস ওকস ২/২৮, ডেভিড উইলি ২/৩২)।

ফলাফল:
বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত (সিরিজ ২-০ তে জয়ী ইংল্যান্ড)।