মিরপুরে রান বের করার উপায় বলে দিলেন লিটন

0
455

পারিবারিক কারণে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ছিলেন না লিটন দাস, সেই সিরিজে ব্যাটাররা রানের জন্য সংগ্রাম করলেও সেটা দূর থেকেই দেখে গেছেন তিনি। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দলে ফিরেই বুঝতে পারছেন মিরপুরের মন্থর উইকেটে রান বের করা কতটা কঠিন, প্রথম ৩ ম্যাচ খেলার পর উপলব্ধি করেছেন লিটন।

মিরপুরের কন্ডিশন ব্যাটারদের জন্য কতটা কঠিন সেটা প্রমাণ করতে পারে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলা ৮ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পরিসংখ্যান, এই ৮ ম্যাচে একবারও ১৫০ দলীয় স্কোর পেরোয়নি। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড তাদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বনিম্ন স্কোরের লজ্জায় ডুবেছে, বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ৭৬ রানেই।

প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন লিটন দাস, দ্বিতীয় ম্যাচে একবার জীবন পেয়ে করেছিলেন ৩৩ রান। সর্বশেষ ম্যাচে শুরুটা ভালো করলেও তা টেনে নিতে পারেননি অতিরিক্ত আগ্রাসী হতে গিয়ে। ৩ ম্যাচ খেলার পর লিটনের উপলব্ধি, মিরপুরে রান পেতে হলে আগ্রাসী নয়, সিঙ্গেলস ও ডাবলসে মনোযোগী হতে হবে ব্যাটারদের।

বাউন্ডারি নির্ভর না হয়ে সিঙ্গেলসে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে লিটন দাস বলেন, “যেহেতু লো-স্কোরিং ম্যাচ হচ্ছে রান করা অত সহজ নয়, বাউন্ডারি মারাও অত সহজ নয়। আমার কাছে মনে হয় এখানে সিঙ্গেলসের দিকে ফোকাস দিতে হবে, রানিং বিটুইন দ্য উইকেটের দিকে মনোযোগী হতে হবে।”

ভালো স্কোর গড়তে জুটির বিকল্প দেখছেন না লিটন, “আমি আর নাঈম শুরুটা ভালো করেছিলাম। আমি যদি ওই জায়গাটায় আরেকটু সেন্সিবল ক্রিকেট খেলতে পারতাম, আরেকটু দায়িত্ব নিতে পারতাম জিনিসটা সহজ হয়ে যেত। কারণ দ্বিতীয় ম্যাচেও আমার ও নাঈমের ভালো একটা জুটির কারণে পরের ব্যাটাররা সহজ ব্যাটিং করতে পেরেছে। এরকম সুযোগ আসলে পরের বার চেষ্টা করবো ইনিংসটা বড় করার জন্য।”

৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ এ এগিয়ে আছে বাংলাদেশ, আগামীকাল মিরপুরে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। শেষ ম্যাচ ১০ সেপ্টেম্বর হলেও আগামীকালই সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চায় টাইগাররা।