রহস্য ফাঁস করলেন আফিফ

0
540

রহস্য ফাঁস করলেন আফিফ।

প্রথমটি-টোয়েন্টির পর পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও বুধবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১২২ রানের টার্গেটে ৮ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় পেয়েছে টাইগাররা। যেখানে ব্যাট হাতে হার না মানা দারুণ এক ইনিংসে দলকে জয়ের বন্দরে ভিড়িয়েই মাঠ ছেড়েছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। যার পুরস্কার স্বরুপ ম্যাচসেরার খেতাবও জিতেছেন তরুণ অলরাউন্ডার।

১২২ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ৬৭ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে পরাজয়ের শঙ্কা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে ষষ্ঠ উইকেটে নুরুল হাসান সোহানকে সঙ্গে নিয়ে ৫৬* রানের অবিচ্ছেদ্য পার্টনারশিপ গড়ে আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি ম্যাচসেরা আফিফ। আজ স্টার্ক-হ্যাজেলউডদের দারুণ সামলে ৩১ বল মোকাবিলায় ৫ চার আর ১ ছয়ে ৩৭* রানে অপরাজিত ছিলেন আফিফ।

উল্লেখ্য আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই প্রথম সফল রান তাড়ায় ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ৫০+ রানের পার্টনারশিপ গড়লো বাংলাদেশের দুই ব্যাটার। ম্যাচ বের করা এই জুটি প্রসঙ্গে ম্যাচশেষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় সোহানের প্রশংসা করে আফিফ বলেছেন, “সোহান ভাই অনেক ভালো ব্যাটিং করেছে। তার সাথে ব্যাটিং করার সময় দুইজনের পরিকল্পনা ছিল যে আমরা উইকেট দিবো না। উইকেট না দিয়ে তখন বল টু বল রান দরকার ছিল। তাই উইকেট না দিয়ে কিভাবে রান করা যায় সেই চেষ্টাই করছিলাম। আর অপর পাশ থেকে ভালো সাপোর্ট পাওয়ায় আমাদের কোনো চাপ অনুভব হয়নি।

শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারলে ম্যাচ জেতা পারবেন এই বিশ্বাস ছিল টাইগার অলরাউন্ডারের। তাই উইকেটে মানিয়ে নিয়ে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেছেন আফিফ। তিনি বলেন, “ব্যাটিংয়ে নামার পর আমি চেষ্টা করেছি উইকেটে মানিয়ে নেওয়ার, উইকেটের আচরণে খেয়াল রেখে, যাতে উইকেট না আমি ক্রিজে থাকতে পারি। শেষ পর্যন্ত যদি আমি খেলে পারি তাহলে আমার বিশ্বাস ছিল যেই রান রেটে থাকুক না কেন, আমি ভালোভাবে ম্যাচটা শেষ করতে পারবো।”

তিনি আরও যোগ করেন, “নামার সময় রিয়াদের ভাইয়ের থেকে একটাই বার্তা ছিল যে, যাওয়ার পর যেন দুই/তিন ওভার স্বাভাবিক খেলি। আর আমার পরিকল্পনা ছিল যাতে শেষ পর্যন্ত উইকেটে থাকতে পারি এবং ম্যাচটা শেষ করে আসতে পারি।”