হৃদয় কি তবে থাকতেই এসেছেন?

0
114

১৭৬ চেজ করতে নেমে ২৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছে দল। এই মুহূর্তে সেটা চেজ করতে পারবে বলে কি আপনার মনে হয়েছিলো? কিংবা যদি প্রশ্নটা একটু ঘুরিয়ে করা হয় যে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান এই ম্যাচ জেতাতে পারবে একা দায়িত্ব নিয়ে?

নিশ্চয় প্রতি দশজনের নয়জনেরই উত্তর হতো, “না”। কিন্তু এই রান চেজ করে ফেলেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। যিনি একা দায়িত্ব নিয়ে এই ম্যাচটা জিতিয়েছেন তিনি আর কেউ নন, তাওহিদ হৃদয়।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নাইম শেখ-সাইফ হাসানের ১১৯ রানের জুটির উপর ভর করে ১৭৪ সংগ্রহ করে দূর্দান্ত ঢাকা। নাইম শেখ ধারাবাহিক রান করে জাতীয় দলে তাকেও রাখার বার্তায় দিয়ে যাচ্ছেন যেন। হিট আউট হয়ে ফিরে যাওয়ার আগে নাইম করেন ৪৫ বলে ৬৪। সাইফ হাসান করেন ৪২ বলে ৫৭।

বোলিংয়ে এসে নিজের প্রথম ওভারে ২২ রান দেন মুস্তাফিজ। চার ওভারের কোটা পূরণ না করা ফিজ দেন ২ ওভারে ৩৩ রান। ম্যাথু ফোর্ড নেন ৩ উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালু রেখে ঢাকাকে কখনো ম্যাচে ডমিনেট করার সুযোগ দেন নি তাওহিদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে ব্রুক গেস্টের সাথে জুটিটাও ছিলো বেশ কার্যকরি।

বিগ টোটালের ম্যাচে কিভাবে ব্যাট করতে হয় অন্য বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের সে বার্তায় দিয়ে রাখলেন হৃদয়। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মতো চ্যাম্পিয়ন টিম ডিরেক্ট সাইনিংয়ে দলে নিয়েছিলো তাকে। কুমিল্লা যে কোনো ভুল করেনি সেটাই যেন প্রমাণ করলেন ৫৭ বলে ১০৮ রানে অপরাজিত থাকা হৃদয়।

১৭৬ চেজ করতে নামা দলে দুই অঙ্ক স্পর্শই করেছে কেবল দুইজন যার মধ্যে একজনের স্কোর ৩৫ বলে ৩৪। এই ম্যাচটাও যে কেউ জেতাতে পারে এইটা নিশ্চয়ই আপনাকে অবাক করবে। জ্বী তাওহিদ হৃদয় এমন অবাক করা ইনিংসই খেলেছেন। হারিয়ে যেতে নয়, তিনি নিশ্চয়ই থাকতেই এসেছেন।