১৩০ রান যথেষ্ট -রাচীন রবীন্দ্র

0
786

টি-টোয়েন্টি মানেই ধুমধাড়াক্কা আর চার-ছক্কার খেলা, ক্রিকেটের ছোট এই সংস্করণ মারকাটারি ব্যাটিংয়ের অর্থই বদলে দিয়েছে। তবে টি-টোয়েন্টি হলেও মিরপুরের ভিন্ন রূপের দেখা মিলছে, কোন রকমে রান রেট ৬ এর উপরে রাখতে পারলেই যেন জয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে সবগুলো ম্যাচই ছিল লো-স্কোরিং, শেষ ম্যাচে তো রীতিমতো বিধ্বস্তই হয়েছে অজিরা। সেই সিরিজের শিক্ষা নিয়ে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলও নিজেদের পরিকল্পনা ঠিক করছে, ধুমধাড়াক্কার ব্যাটিং এড়িয়ে যেতে চাইছে দলটি।

নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের কন্ডিশন সম্পূর্ণ আলাদা, এখানকার আবহাওয়া ও উইকেটের চরিত্রও একেবারে ভিন্ন। তবুও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এগুলোকে মানিয়ে নিয়েই খেলতে হয়, নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলও সেই চেষ্টাতেই আছে, সিরিজ শুরুর আগে কয়েকদিনের অনুশীলনকে তাই প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশের কন্ডিশন প্রসঙ্গে কিউই অলরাউন্ডার রাচিন রাবীন্দ্র বলেন, “অবশ্যই একটু অচেনা কন্ডিশন। নিউজিল্যান্ডে আমরা যেমন পাই, সেটির চেয়ে ভিন্ন। এই কন্ডিশন ও গরমের সঙ্গে একটু মানিয়ে নিতে হবে। অবশ্যই অনেক আলাদা এখানে, পিচ অনেক টার্ন করবে, বল থমকে আসবে। আমাদের জন্য তাই দারুণ চ্যালেঞ্জ হবে এটি, আগামী কয়েকদিনে এখানে মানিয়ে নেওয়া ও নিজেদের পরিকল্পনা সাজিয়ে নিতে হবে।”

এমন কন্ডিশনে পরিকল্পনা কেমন হবে নিউজিল্যান্ডের সেই ধারণাও দিয়েছেন রাচিন রাবীন্দ্র, “অনেক সোজা ব্যাটে খেলতে হবে এখানে, একটু বুঝে ব্যাট করতে হবে। এখানে হয়তো ওভার প্রতি ৬ রান করে তুলতে পারলেই তা হবে ভালো, নিউজিল্যান্ডে যেটা ওভার প্রতি ৮ বা ১০।”

নিজেদের করণীয় প্রসঙ্গে তরুণ এই অলরাউন্ডার জানান, “আমাদের রান করার প্রত্যাশা হয়তো এখানে একটু কমাতে হবে। উইকেটে গিয়ে বুঝতে হবে, কেমন রান করতে চাই আমরা। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজে যা দেখেছি, ১৩০ রান হয়তো এখানে জয়ের মতো স্কোর।”

১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ, বাকি ম্যাচ গুলো অনুষ্ঠিত হবে ৩, ৫, ৮ ও ১০ সেপ্টেম্বর; সবগুলো ম্যাচ হবে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে।